Wednesday, 18 August 2021
মাথাভাঙ্গা নদী।
বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটির দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার এবং দর্শনার নিকট গভীরতা ১০ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৫০০ বর্গকিলোমিটার। সাধারণত এই নদীর তীর উপচে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বন্যা হয় না। নদীটি জোয়ার-ভাটার প্রভাবমুক্ত। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক মাথাভাঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭৬। মাথাভাঙ্গা নদীর উৎপত্তি মুর্শিদাবাদ জেলার জলাঙ্গির উৎস থেকে আনুমানিক ১৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে পদ্মা নদী হতে। মাথাভাঙ্গা নদীটি উৎপত্তিস্থল থেকে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলা পেরিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার হাওলি ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ইছামতি-কালিন্দী নদীতে নিপতিত হয়েছে। নদীটি জোয়ার ভাটার প্রভাবে প্রভাবিত।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
ঈদ উল ফিতর ২০২৬
ঈদের আনন্দ মানেই পরিবার, ভালোবাসা আর একসাথে কাটানো কিছু অমূল্য সময়। তবে এই ঈদটা যেন আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় এক অধ্যায় হয়ে থাকবে—কারণ এই ...
-
একবার সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলি একটি স্টেশনারী দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, 'ডায়মন্ড বল পেন আছে?' সেলসম্যান মুখের উপ...
-
মাক্কী সূরা ক্বোরআনের মাক্কী সূরা বলতে মুহম্মদের [ স.] হিজরতের পূর্বে অবতীর্ণ সূরাগুলোকে বোঝানো হয়। মুহাম্মদের [স.] হিজরতের সম...
No comments:
Post a Comment